Skip to content

শুভ জন্মদিন, প্রিয়া

সেপ্টেম্বর 28, 2011

প্রিয়া,

জীবনের সমস্ত আশা হারিয়ে যখন অন্ধকারের অতলে ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছিলাম, অনেকটা হঠাৎ করেই আমার জীবনে এলে, ভাদ্র মাসের দুপুরে এক পশলা বৃষ্টির মতো। এলে, অনেক কাছে এলে, যতটা কাছে এলে একটা মানুষ তার আকাঙ্খাগুলো, সাধগুলো, অনুভূতিগুলো অন্যকারো দুহাতে তুলে দিয়ে নিশ্চিন্তে দিন কাটাতে পারে, যতটা কাছে এলে একটা মানুষ তার নিজেকে হারিয়ে ফেলে। আমার কবিতাগুলোর এপিটাফে এঁকে দিলে ভালোবাসার স্বাক্ষর। Read more…

আমি এখনো স্বপ্ন দেখি, প্রেমা

সেপ্টেম্বর 8, 2011

আজ নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়
কবিতারা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে
আগের মত কোনকিছু নিয়ে আর
ঘন্টার পর ঘন্টা ভাবতে পারি না
কোন কিছু অনুভব করতে পারি না
কোন কিছু আমাকে স্পর্শ করে না
কেন ? – জনিনা।
শুধু এটুকু জানি
তুমি আমার অস্তিত্ব, আমার সত্ত্বা
আমার অবিন্যাস্ত ভাবনাগুলো -
তোমার স্পর্শেই পূর্ণতা পায়
তোমার উষ্ণতায় আমার অনুভূতি।
কেন এত ভালোবাসলে আমাকে ?
আমার ধ্বংসপ্রাপ্ত অস্তিত্বকে
কেন নিয়ে এলে পবিত্র আলোয়?

তারপর….. Read more…

সন্তানের কাছে বাবা-মা’র চিঠি (কৃতজ্ঞতাঃ ধুম্রজ্বাল)

জুন 9, 2011

প্রিয় সন্তান,

আমি যখন বার্ধক্যে উপনীত হবো…আমি আশা করবো…….“তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”, ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি, অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি….কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি…। আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না।

বয়স্ক মানুষ খুব স্পর্শকাতর…..তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায় , অসহায় আর অপরাধী মনে করে নিজেকে। যখন আমার শ্রবণশক্তি শেষ হয়ে আসছে এবং আমি শুনতে পাচ্ছি না তুমি কী বলছ!…..তোমার তখন আমাকে “বধির” বলা উচিৎ নয়। দয়া করে তুমি পুনরায় বলো অথবা লিখে দেখাও।

Read more…

বন্ধন

জুন 9, 2011

মানুষের জীবনটা বড় অদ্ভূত। একসময় যার সম্পর্কে চিন্তাও করা যায় না, একসময় কতনা ছোট্ট কারনে তার সাথে চির বিচ্ছেদ ঘটে। তাও মেনে নিতে হয়। কথাগুলো বলেছিল শরৎচন্দ্র, চরিত্রহীন এ। শরৎচন্দ্রকে এজন্যই আমি খুব পছন্দ করি, মানুষের সম্পর্কগুলোকে কত সুন্দর করেই না তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

রক্তের সম্পর্ক নয়, আত্মার পবিত্র বন্ধনই আত্মীয়তার জন্ম দেয় – এই কথাটিকে একমসয় খুব মানতাম, বিশ্বাস করতাম। এখন আর করি না।

Read more…

জীবনটাকে নিতে হবে হালকাভাবে

জুন 6, 2011

সূত্র: প্রথম আলো অনলাইন সংস্করণ

******************************************************************

জেরি ইয়াং ইয়াহু!-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ২০০৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াইয়ের সমাবর্তনে তিনি এই বক্তব্যটি দেন।

প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই চ্যান্সেলরকে। সম্মানিত অতিথি, শিক্ষকেরা ও গ্র্যাজুয়েটদের আলোহা (শুভেচ্ছা)! অনেক কঠিন পড়াশোনা শেষ করে, অসংখ্য পরীক্ষা দিয়ে মনেপ্রাণে পড়াশোনা করে, আজ যারা এ পর্যায়ে এসেছে, তাদের সামনে আমাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এর কারণ শুধু এই নয় যে আমি এ এলাকার পুরোনো বাসিন্দা। এর কারণ হলো ইয়াহুর সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা।

১৯৯৪ সালে আমি যখন আমার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তড়িৎ প্রকৌশলের ওপর পিএইচডি গবেষণা করছিলাম, তখনই আমি ইয়াহু শুরু করি। মানে, আমার আসলে পিএইচডি ডিগ্রি নেই। এর পরও আমি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেতে যাচ্ছি আজ কোনো গবেষণা কাজ ছাড়াই! অসাধারণ!

আজ আমাকে ডাকা হয়েছে তোমাদের সঙ্গে কিছু সময় কাটানোর জন্য। নিজের জীবনের কিছু বিশেষ অভিজ্ঞতা তোমাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য। আজ আমি তোমাদের পাঁচটা বিশেষ পরামর্শ দেব।

Read more…

হয়তো…প্রেমা

এপ্রিল 26, 2011

কার জলে ভাসাতে গেলে ফুল
কার চোখে হয়েছো নিঃস্ব
কেন স্বীকার করো
দুঃখ সব চেতনার মূল।.

জানো প্রেমা, আজ আকাশে খুব মেঘ করেছে। হয়তো কিছুক্ষণের মাঝেই কালবৈশাখী শুরু হবে। পাশের বাড়ির ছোটবাচ্চাগুলো ছাদে উঠে এসেছে… লাফাচ্ছে… খেলছে…. কত মজাই না ওরা করছে। আমি মাঝে মাঝে ভাবি, ইশ যদি ওই সময়টায় যেতে পারতাম!!! কোন দুঃখ নেই, কোন কষ্ট নেই, সম্পর্কগুলোর মাঝে কোন অসাড়তা নেই…….সময়গুলো কত সুন্দর করেই না কাটতো!!! হয়তো জীবনটাকে নতুন করে শুরু করতে পারতাম….. Read more…

ভালোবাসি তোমাকে

এপ্রিল 24, 2011

ভালোবাসি তোমাকে

সবসময়-

অনন্তকালের যাত্রাপথে সাথে থেকো,

আমার হাতটি ধরে;

অন্ধকারের সময়ে আলো হয়ে জ্বলো আমার দিগন্তে;

হারাতে দিও না আমায় জলের অতলে;

কখনো।

অনন্তের পথে

এপ্রিল 23, 2011

তোমার উত্তর পেয়েছি আমি…..আমার প্রতিনিয়তের রাতগুলো এখন আর অপেক্ষায় থাকে না……তবুও অনন্তের পথে একাকী হেঁটে চলি আমি…যদি তুমি আসো ফিরে….আমার হাত ধরে…অনন্তের পথে……

অপেক্ষায়

এপ্রিল 19, 2011

তোমার উত্তরের অপেক্ষায়…..আমার প্রতিনিয়ত দীর্ঘ রাত জেগে থাকা……..অনন্তের পথে একাকী হেঁটে চলা…………

বাড়ি

এপ্রিল 2, 2011

অনেকদিন হয়ে গেল আমার বাড়ি যাওয়া হয় না। গত বছর কোরবানীর ঈদে সেই যে বাসা থেকে এসেছি, আর যাওয়া হয় নি। আম্মুর সুন্দর মুখটা কি এখনো একটু ফোলা আছে! নাকি আমার জন্য দুঃচিন্তায় অনেকটাই শুকিয়ে গেছে! কতোদিন আম্মু অপার্থিব সুন্দর হাসিটা দেখি না!!! :(

 

গত ডিসেম্বরে একটা চাকরীতে জয়েন করেছি। পোস্টিং বি-বাড়ীয়াতে। গত চারমাস ধরে প্রতি সপ্তাহে যে ছুটি পেয়েছি, তা দিয়ে বাসায় যাওয়া হয় নি। ছুটিও খুব কম পেয়েছি। কতোদিন আম্মুকে দেখি না!!!! Read more…

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.